01768-768-793 hightechitbd1@gmail.com

যদি আপনার কাছাকাছি পোর্ট থাকে তাইলে ব্যবসা শুরু করতে আর বাধা নেই। কাছাকাছি না হয়ে একটু দূরে পোর্ট থাকলে সেখান থেকেও রেডিও লিংক করে আনতে পারবেন। আর যদি পপস পোর্টের দূরত্ব বেশি হয় তাইলে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ব্যান্ডউইথ নিতে পারবেন বা মাইক্রোওয়েভ দ্বারা কানেক্টেড মোবাইল টাওয়ারের বিটিএস থেকেও নিতে পারবেন ব্যান্ডউইথ। তবে এই দুই পদ্ধতিতেই ব্যান্ডউইথের দাম অনেক বেশি পরবে। বিভাগীয় শহরগুলোতে অনেক আইএসপি কম দামে সাবলাইন দিয়ে থাকে। তাদের থেকে ব্যান্ডউইথ নিয়েও ব্যবসা করতে পারবেন আপনি।
আপনাকে এই ব্রডব্যান্ড ব্যবসা করতে হলে কিছু যন্ত্রপাতি কিনতে হবে। সেগুলো হল স্পিড কন্ট্রোল করার জন্য মাইক্রোটিক রাউটার, মিডিয়া কনভার্টার, ক্যাবল, পিসি, বেজ স্টেশন স্থাপন করার জন্য সুইচ ও বক্স। সেই সাথে আপনাকে চব্বিশ ঘণ্টা নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে হবে মাইক্রোটিক রাউটার চালু রাখার জন্য।
এখন আপনার মাথায় প্রশ্ন আসতে পারে এত সব কিছুর আয়োজন করে ব্যবসা করতে নামতে হলে আপনার কত টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। হ্যাঁ তাই বলছি, প্রাথমিকভাবে দুই লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলেই শুরু করতে পারবেন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা ব্যবসা। এরপর আপনাকে পর্যায়ক্রমে ব্যবসার পরিধির উপর বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। প্রাথমিক বিনিয়োগ থেকে আপনি প্রতি মাসে আনুমানিক বিশ থেকে পঁচিশ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। আর তা ব্যবসার পরিধি বাড়ার সাথে সাথে আয়ের পরিমাণও বাড়বে।
প্রথমেই বলেছি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবসায় ঝুঁকি অনেক কম। কারণ এই ব্যবসায় শুরুতেই একবার সব কিছু স্থাপন করে নিলে তারপর ব্যান্ডউইথ কেনা ছাড়া তেমন কোন খরচ নেই। বর্ষাকালটা যদিও ব্রডব্যান্ড ব্যবসার জন্য শত্রুতামূলক আচরণ করে। কারণ বজ্রপাতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে যন্ত্রপাতি পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়।
আপনি যে ব্যবসা শুরু করেছেন তা আকর্ষণীয় করে মানুষকে জানাতে হবে। আর এর জন্য আপনাকে অবশ্যই প্রচার করতে হবে। কারণ প্রচারই প্রসার। আপনার ব্যবসায়িক এলাকায় আপনি যে ব্রডব্যান্ড ইন্টানেটের সার্ভিস নিয়ে এসেছেন সেই খবর মানুষকে দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিতে হবে। যেহেতু আপনি একটা এলাকা টার্গেট করে ব্যবসায় নামবেন সেহেতু মার্কেটিংয়ের জন্য আপনাকে তেমন বড় বাজেট রাখতে হবে না। চমক লাগানো লিফলেট করবেন। লিফলেটের মধ্যে আপনার প্যাকেজসমূহ, প্যাকেজ মূল্য, স্পিড, শর্তাদি ইত্যাদি বিস্তারিত লিখে আপনার টার্গেটকৃত এলাকায় বিতরণ করতে হবে। আগে থেকেই কোন আইএসপি থাকলে তাদের সাথে কম্পেয়ার করে রেট নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া সরাসরি বাসায় বাসায় গিয়ে, মাইকিং করে, ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে, আপনার এলাকার পত্রিকার এজেন্টের সাথে কথা বলে পত্রিকার ভেতরে লিফলেট দিয়ে প্রচারের ব্যবস্থা করতে পারেন। পরিচিত মহলকে অনুরোধ করেও মার্কেটিং করতে পারেন। সবচেয়ে বড় বিষয় মার্কেটিং করা।